পাঠক নিউজ প্রতিবেদক
রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মো. আলমগীর নামে বিএনপির এক নেতা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জোছনা বেগম নামে এক নারীও আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের একটি সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ আলমগীরকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।
আলমগীরের দূর সম্পর্কের চাচা মো. আশিক জানান, আলমগীর ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য। পেশায় তিনি মাছ ব্যবসায়ী। পরিবার নিয়ে পল্লবী থানার মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনে বসবাস করেন।
শুক্রবার বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে তিনি দুই নম্বর সড়কের বি-ব্লকের একটি চায়ের দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকারে করে চার ব্যক্তি সেখানে আসে। তারা আলমগীরকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
হামলায় আলমগীরের মাথার ডান পাশে, পেটের ডান পাশে এবং ডান নিতম্বে গুলি লাগে। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মী বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে রুবেল ও বাপ্পা নামের দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
তবে কী কারণে আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।


















