অনলাইন ডেস্ক
জ্বালানিসংকট না কাটায় নতুন শিল্পে গ্যাস–সংযোগ এবং পুরোনো শিল্পে গ্যাসের লোড বৃদ্ধি আপাতত বন্ধ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ছয়টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কাছে ১,৮৫৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আবেদন অপেক্ষমাণ, যার মধ্যে প্রায় ৫৫০টি প্রতিষ্ঠান সংযোগের জন্য অর্থ জমা দিয়েও গ্যাস পাচ্ছে না।
গ্যাসের অভাবে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ, এলপিজি বা এলএনজি ব্যবহার করে উৎপাদন চালাচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে, উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধেও সমস্যায় পড়ছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
স্কয়ার গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ ও প্রাণ-আরএফএলসহ বড় শিল্পগোষ্ঠীর হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ গ্যাস–সংযোগের অভাবে আটকে আছে। উদ্যোক্তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সরকার বলছে, আগের সরকারের সময় পর্যাপ্ত গ্যাসের ব্যবস্থা ছাড়াই সংযোগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, এলএনজি আমদানি এবং নতুন টার্মিনাল স্থাপনের মাধ্যমে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ চলছে। গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে শিল্পে নতুন সংযোগ দেওয়া শুরু হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানো, ভোলা ও বরিশালের গ্যাস দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোই সংকট সমাধানের মূল উপায়।
























