অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে সরকারি একাধিক সূত্রে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপি নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করছে। যদি মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
আরও জানা গেছে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সূত্রগুলোর মতে, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, তিনি ইতোমধ্যে ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তাঁর বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। আর ১২৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কারণ, এটি বাস্তবায়িত হলে বিএনপি সরকার প্রথমবারের মতো নিজেদের মনোনীত একজনকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার সুযোগ পাবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনও নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
























