অনলাইন ডেস্ক
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম বেতনকাঠামো অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলেই এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি ইতোমধ্যে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ শেষ করেছে। কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে নতুন মূল বেতন এবং পরবর্তী অর্থবছরে ভাতার অংশ কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, নতুন বেতনকাঠামোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ঋণ আলোচনার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। তবে আইএমএফ বাস্তবায়নের অর্থায়নের উৎস সম্পর্কে জানতে চেয়েছে এবং রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশে বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ রয়েছে।
বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য বছরে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। নতুন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে বলে কমিশনের হিসাব।















