অনলাইন ডেস্ক
ভারতে আশ্রয়ে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি পাননি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ভারতের সংসদীয় কমিটির এক প্রতিবেদনে। ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার লোকসভা ও রাজ্যসভায় উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবিক বিবেচনা ও ভারতের দীর্ঘদিনের আশ্রয়নীতির অংশ হিসেবে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁকে ভারত থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর প্রত্যর্পণের অনুরোধও ভারত প্রচলিত আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী পর্যালোচনা করছে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। ভিসা প্রদান কমে যাওয়ায় জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও এর প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করা হয়। পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দ্রুত নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং সীমান্তসংলগ্ন অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কমিটি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এসব বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত ‘পরিমিত ও হিসাবনিকাশভিত্তিক অ-হস্তক্ষেপ নীতি’ অনুসরণ করেছে। একই সঙ্গে চলতি বছরের নির্বাচনের পর নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।















