রাবি প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় মারধরের শিকার তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে মো. আনাস ও মাহমুদুল হাসানকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনার সূত্রপাত এক ছাত্রীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। পরে প্রক্টর কার্যালয়ের বৈঠকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন আনাসকে ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এরপর রাকসু ভবনে পাল্টা হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী পাঠকক্ষে আশ্রয় নিলে সেখানে ঢুকে তাঁদের মারধরের অভিযোগ করা হয়। এতে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীও আহত হন।
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়।
এদিকে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট ও ছাত্র মঞ্চ ঘটনাটিকে ‘মব সন্ত্রাস’ আখ্যা দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলও বিক্ষোভ করে একই দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছে।
উল্লেখ্য: এ ঘটনায় বিভিন্ন পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
























