বিশেষ প্রতিনিধি
রাষ্ট্রপতির পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। ক্ষমতাসীন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনা করছেন, যিনি প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিও দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী এক সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থার কারণেই তাঁর নাম গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি; দল ও সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। এ কারণে সরকার, বিরোধী দল এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে ক্ষমতাসীন দল।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন কি না, তা পর্যবেক্ষণ করছে সরকার। এ বিষয়ে তাঁর কাছে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের মনোভাবও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
























