পাঠক নিউজ ডেস্ক
রাজধানীর আদাবরে স্টুডিও থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। আগে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় কারাগারে থাকা আলোকচিত্রী নামীম আশরাফের বিরুদ্ধে এবার আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় নামীমের বাবা-মাকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে কাজের সূত্রে পরিচয়ের পর নামীম ও ওই তরুণীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাঁদের বিয়ের কথাও চলছিল। তবে গত ১০ জুন নামীম তাঁকে আদাবরের স্টুডিওতে ডেকে নিয়ে যান এবং পরিবারের কাছে বান্ধবীর বাসায় থাকার কথা বলতে বাধ্য করেন। অভিযোগে বলা হয়, ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তাঁকে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় এবং পরে হত্যা করা হয়।
গত ১৪ জুন স্টুডিও থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর তাঁর বড় ভাই আদাবর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ১৫ জুন থেকে কারাগারে আছেন নামীম আশরাফ। পরে নিহতের বড় বোন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নতুন মামলা করলে আদালত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা তরুণীর মরদেহ স্টুডিওর মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। প্রাথমিকভাবে গলায় দাগ থাকায় ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনার যথাযথ তদন্তে সক্রিয় ছিল না। তাই সুষ্ঠু বিচার ও প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবিতে তাঁরা আদালতে ধর্ষণ ও হত্যার মামলা করেছেন।
উল্লেখ্য, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আদালতে দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
























