নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হবেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় শুরুতে কয়েকজনের নাম থাকলেও, গত দুই দিনে আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম–এর নাম।
এদিকে ব্র্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহও এক ফেসবুক পোস্টে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলামকে কেন যোগ্য প্রার্থী মনে করেন, তার বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেছেন।
গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনিই এ দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে বর্তমানে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, শেষ পর্যন্ত তাঁদের অবস্থান বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা অব্যাহত থাকবে।
























