বৈষম্যহীন সমাজ ও আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে যারা রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়েছেন, রাসেল মাহমুদ তাদের মধ্যে অন্যতম। সেই সাহসী ছাত্রনেতা এখন তারুণ্যের বৃহৎ প্লাটফর্ম ‘জাতীয় যুব শক্তি’র কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
তৃণমূল থেকে জাতীয় রাজনীতিতে উত্থান:
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার এক সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা রাসেল মাহমুদ আজ জেলার তরুণ সমাজের কাছে সাহস ও অনুপ্রেরণার এক নাম। ছাত্রজীবন থেকেই যেকোনো অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই তরুণ নেতা জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে ভোলার সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুসংগঠিত করতে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। সাবেক সহ-সমন্বয়ক হিসেবে তৎকালীন শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
আন্দোলন পরবর্তী মানবিকতা:
আন্দোলনের সফলতার পরও ঘরে বসে থাকেননি রাসেল। জুলাই-আগস্টের লড়াইয়ে আহত ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন এবং চিকিৎসা নিশ্চিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে একজন মানবিক নেতা হিসেবে আস্থা অর্জন করেছেন।
এই প্রসঙ্গে রাসেল মাহমুদ বলেন:
“যাদের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তাদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা অপরিসীম। একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্যে আমরা আজীবন কাজ করে যাব।”
আগামীর পরিকল্পনা ও লক্ষ্য:
বর্তমানে ‘জাতীয় যুব শক্তি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দেশব্যাপী তরুণদের সংগঠিত করা এবং বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থানমুখী নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম বিস্তৃত করতে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ইতোমধ্যে নজরে এসেছে সংশ্লিষ্টদের।
ভোলার বোরহানউদ্দিনের এই সাহসী সন্তান তার সততা, সাহস ও ত্যাগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন—তরুণদের হাত ধরেই বদলে যাবে বাংলাদেশ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, রাসেল মাহমুদের মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বের মাধ্যমেই আগামী দিনের সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।